📝 পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
ইউনিট ৭: ইন্টারনেট ও কমিউনিকেশন
Course Code: 219903উত্তর:
| বিষয় | ইন্টারনেট | ইন্ট্রানেট | এক্সট্রানেট |
|---|---|---|---|
| সংজ্ঞা | বিশ্বব্যাপী পাবলিক নেটওয়ার্ক | প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক | ইন্ট্রানেটের বহিরাগত অংশ |
| অ্যাক্সেস | সবার জন্য উন্মুক্ত | শুধু কর্মীদের জন্য | অনুমোদিত বহিরাগত |
| নিরাপত্তা | কম | উচ্চ | মাঝারি |
| উদাহরণ | Google, Facebook | কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পোর্টাল | সরবরাহকারীদের সাথে শেয়ার |
উত্তর:
IP Address: Internet Protocol Address হলো নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসের ইউনিক সংখ্যাভিত্তিক ঠিকানা।
| বিষয় | IPv4 | IPv6 |
|---|---|---|
| বিট সংখ্যা | 32-bit | 128-bit |
| ফরম্যাট | Dotted Decimal (192.168.1.1) | Hexadecimal (2001:0db8::1) |
| ঠিকানা সংখ্যা | ~4.3 বিলিয়ন | প্রায় অসীম (340 undecillion) |
| নিরাপত্তা | কম (IPSec ঐচ্ছিক) | বেশি (IPSec বাধ্যতামূলক) |
উত্তর:
OSI Model: Open Systems Interconnection Model। নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশনের জন্য ৭-স্তর বিশিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড মডেল।
| স্তর | নাম | কাজ |
|---|---|---|
| ৭ | Application | ব্যবহারকারীর সাথে ইন্টারফেস (HTTP, FTP) |
| ৬ | Presentation | ডাটা ফরম্যাট, এনক্রিপশন |
| ৫ | Session | সংযোগ স্থাপন ও বন্ধ |
| ৪ | Transport | ডাটা ট্রান্সফার, TCP/UDP |
| ৩ | Network | রাউটিং, IP Address |
| ২ | Data Link | ফ্রেম, MAC Address |
| ১ | Physical | তার, বিট ট্রান্সমিশন |
উত্তর:
ইমেইলের গঠন:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- Subject: বিষয়
- Body: মূল বার্তা
- Attachment: সংযুক্ত ফাইল
- Signature: প্রেরকের স্বাক্ষর
| বিষয় | Cc (Carbon Copy) | Bcc (Blind Carbon Copy) |
|---|---|---|
| দৃশ্যমানতা | সবাই দেখতে পায় | কেউ দেখতে পায় না |
| ব্যবহার | তথ্য জানাতে | গোপনে কপি পাঠাতে |
| প্রাইভেসি | কম | বেশি |
উত্তর:
ক্লাউড স্টোরেজ: ইন্টারনেটে ফাইল সংরক্ষণ করা যেখানে যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
সুবিধা:
- যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস
- ডিভাইস নষ্ট হলেও ডাটা থাকে
- শেয়ারিং সহজ
- স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ
- খরচ সাশ্রয়
উত্তর:
জাতীয় আইসিটি নীতি: বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালে "ডিজিটাল বাংলাদেশ" ভিশনের অংশ হিসেবে জাতীয় আইসিটি নীতিমালা প্রণয়ন করে (২০১৫ সালে হালনাগাদকৃত)।
মূল লক্ষ্যসমূহ:
- ডিজিটাল সরকার: সরকারি সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদান (e-Governance)
- শিক্ষায় ICT: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ICT ব্যবহার ও ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি
- মানবসম্পদ উন্নয়ন: ICT-তে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা
- আইটি শিল্প প্রসার: সফটওয়্যার ও আইটি সেবা রপ্তানি বৃদ্ধি
- সাইবার নিরাপত্তা: তথ্য সুরক্ষা ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ
- ডিজিটাল বৈষম্য দূরীকরণ: গ্রাম ও শহরের মধ্যে ICT ব্যবধান কমানো
- ই-কমার্স উন্নয়ন: অনলাইন ব্যবসা ও ডিজিটাল লেনদেন প্রসারিত করা
- গবেষণা ও উদ্ভাবন: ICT খাতে গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন
উত্তর:
IP Address: Internet Protocol Address হলো নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসের ইউনিক সংখ্যাভিত্তিক ঠিকানা।
IP Address-এর প্রকার:
- IPv4: 32-bit, Dotted Decimal (উদাহরণ: 192.168.1.1)
- IPv6: 128-bit, Hexadecimal (উদাহরণ: 2001:0db8::1)
TCP/IP প্রোটোকল স্ট্যাকের ৪টি স্তর:
| স্তর নং | স্তরের নাম | কাজ | প্রোটোকল উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| ৪ | Application Layer | ব্যবহারকারী ও অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সরাসরি যোগাযোগ। ডাটা তৈরি ও উপস্থাপন। | HTTP, FTP, SMTP, DNS, Telnet |
| ৩ | Transport Layer | ডাটার নির্ভরযোগ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা। ডাটাকে Segment-এ ভাগ করা। | TCP, UDP |
| ২ | Internet Layer | ডাটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে রাউটিং করা। লজিক্যাল অ্যাড্রেসিং। | IP, ICMP, ARP |
| ১ | Network Access Layer | ফিজিক্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সমিশন। ফ্রেম তৈরি ও MAC অ্যাড্রেসিং। | Ethernet, Wi-Fi, PPP |
উত্তর:
ধাপসমূহ:
- তথ্য অনুসন্ধান: প্রথমে একটি ওয়েব ব্রাউজার (যেমন Chrome) খুলে সার্চ ইঞ্জিন (Google) এ প্রয়োজনীয় বিষয়টি লিখে সার্চ করতে হবে। নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নির্বাচন করতে হবে।
- তথ্য কপি ও ডাউনলোড: ওয়েবসাইটের টেক্সট সিলেক্ট করে Copy (Ctrl+C) করতে হবে। ছবি হলে এর ওপর রাইট-ক্লিক করে 'Save image as...' নির্বাচন করে কম্পিউটারে ডাউনলোড করতে হবে।
- স্থানান্তর: এরপর MS Word বা PowerPoint খুলে সেখানে টেক্সট Paste (Ctrl+V) করতে হবে। ডাউনলোড করা ছবি যুক্ত করতে Insert > Pictures এ গিয়ে ছবিটি সিলেক্ট করে ইনসার্ট করতে হবে।
উত্তর:
১. Google Drive: এটি গুগলের একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। জিমেইল অ্যাকাউন্ট থাকলেই বিনামূল্যে ১৫ জিবি স্টোরেজ পাওয়া যায়। এতে ফাইল, ছবি, ভিডিও ব্যাকআপ রাখা যায় এবং Google Docs, Sheets এর মাধ্যমে সরাসরি কাজ করা যায়।
২. Microsoft OneDrive: এটি মাইক্রোসফটের ক্লাউড স্টোরেজ। এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ডিফল্টভাবে যুক্ত থাকে এবং বিনামূল্যে ৫ জিবি স্টোরেজ দেয়। Office 365 এর সাথে খুব ভালোভাবে কাজ করে বিধায় কর্পোরেট কাজে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়।
উত্তর:
- ফাইল আপলোড: গুগল ড্রাইভে গিয়ে 'New' বা '+' বাটনে ক্লিক করে 'File upload' নির্বাচন করে কম্পিউটার থেকে যেকোনো ফাইল আপলোড করা যায়।
- সংগঠিত করা (Organize): 'New Folder' তৈরি করে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো বিষয়ভিত্তিক আলাদা আলাদা ফোল্ডারে সাজিয়ে রাখা যায়।
- শেয়ার (Share): আপলোড করা ফাইলের ওপর রাইট-ক্লিক করে 'Share' অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ইমেইল দিয়ে বা 'Copy Link' করে সহজে ফাইল অন্যের সাথে শেয়ার করা যায়।
- সহযোগিতামূলক কাজ (Collaboration): Google Docs বা Sheets এর মতো ক্লাউড সার্ভিসে একটি ফাইলে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে একসাথে কাজ (এডিট/কমেন্ট) করতে পারেন।
উত্তর:
সাবনেট মাস্ক (Subnet Mask):
সাবনেট মাস্ক হলো একটি ৩২-বিট বিশিষ্ট সংখ্যা যা একটি আইপি (IP) অ্যাড্রেসকে দুটি অংশে বিভক্ত করে—নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস (Network ID) এবং হোস্ট অ্যাড্রেস (Host ID)। এটি রাউটারকে বুঝতে সাহায্য করে যে আইপি অ্যাড্রেসের কোন অংশটি লোকাল নেটওয়ার্কের এবং কোন অংশটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের বা হোস্টের।
উদাহরণ: ক্লাস সি (Class C) আইপি অ্যাড্রেসের ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক হলো 255.255.255.0।
OSI মডেলের যেকোনো তিনটি লেয়ারের কাজ:
- ১. ফিজিক্যাল লেয়ার (Physical Layer - ১ম স্তর):
- ডিভাইসগুলোর মধ্যে ফিজিক্যাল বা বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিজিটাল ডেটা বা বিট (0, 1) সমূহের তারের বা বেতারের মাধ্যমে সঞ্চালন বা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে।
- ২. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer - ৩য় স্তর):
- ডেটা প্যাকেটগুলোকে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর জন্য সেরা রুট বা পথ নির্ধারণ (Routing) করে।
- লজিক্যাল অ্যাড্রেসিং বা আইপি (IP) অ্যাড্রেস প্রদান করার কাজ করে।
- ৩. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer - ৭ম স্তর):
- ব্যবহারকারী এবং নেটওয়ার্ক অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে ইন্টারফেস বা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- বিভিন্ন প্রোটোকল যেমন: HTTP/HTTPS (ওয়েব ব্রাউজিং), FTP (ফাইল স্থানান্তর), এবং SMTP (ইমেইল) এর কাজ সম্পাদন করে।
উত্তর:
একটি নতুন জিমেইল (Gmail) অ্যাকাউন্ট তৈরির ধাপসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
- ধাপ ১: যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজার (যেমন: Google Chrome) খুলে সার্চ বক্সে www.gmail.com লিখে এন্টার চাপুন।
- ধাপ ২: জিমেইলের লগইন পেজ চালু হলে সেখানে থাকা Create account লিংকে বা বাটনে ক্লিক করুন এবং নিজের জন্য তৈরি করার ক্ষেত্রে "For my personal use" সিলেক্ট করুন।
- ধাপ ৩: এরপর আপনার প্রথম নাম (First Name), শেষ নাম (Last Name) লিখে Next বাটনে ক্লিক করুন এবং আপনার জন্ম তারিখ ও জেন্ডার (Gender) সিলেক্ট করে পুনরায় Next চাপুন।
- ধাপ ৪: আপনার পছন্দের একটি অনন্য ব্যবহারকারীর নাম বা ইউজারনেম (Username) যেমন:
[email protected]টাইপ করুন। - ধাপ ৫: অন্তত ৮ অক্ষরের একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড (অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ প্রতীকের মিশ্রণে) টাইপ করে সেটি কনফার্ম করুন।
- ধাপ ৬: পরবর্তী ধাপে আপনার সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে সেটি ভেরিফাই করুন (ফোনে পাঠানো ওটিপি কোড দিয়ে) এবং সমস্ত শর্তাবলী (Terms and Conditions) পড়ে "I agree" বাটনে ক্লিক করলেই আপনার নতুন ইমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।